jillbdt শুধু একটি বেটিং সাইট নয় — এটা বাংলাদেশের লক্ষাধিক মানুষের বিনোদন ও উত্তেজনার অংশ হওয়ার চেষ্টা। আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তি, স্বচ্ছতা আর ব্যবহারকারীর সুবিধাই একটি প্ল্যাটফর্মকে দীর্ঘস্থায়ী করে।
jillbdt একটি অনলাইন বেটিং ও গেমিং প্ল্যাটফর্ম, যেটি বাংলাদেশের মানুষদের কথা মাথায় রেখে তৈরি। আমাদের পুরো ইন্টারফেস বাংলায়, সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলেন এবং পেমেন্ট পদ্ধতি বাংলাদেশের প্রচলিত সব মাধ্যম সমর্থন করে।
আমাদের লক্ষ্য একটাই — বাংলাদেশের প্রতিটি প্লেয়ার যেন নিরাপদে, স্বাচ্ছন্দ্যে এবং আনন্দের সাথে বেটিং করতে পারেন। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকুক বা না থাকুক, স্মার্টফোন থাকুক বা পুরনো ফিচার ফোন — jillbdt সবার জন্য কাজ করে।
গত কয়েক বছরে jillbdt বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত বেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। আমাদের প্লেয়ার বেস ঢাকা-চট্টগ্রামের বাইরে সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল এবং দেশের প্রত্যন্ত এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশি প্লেয়ারদের কথা মাথায় রেখে আমরা যা করি
যে নীতিগুলো jillbdt-কে প্রতিদিন পরিচালিত করে
কীভাবে jillbdt এখানে এলো
গত কয়েক বছরে jillbdt কতটা বেড়েছে
jillbdt-এর পেছনে যারা প্রতিদিন কাজ করেন
jillbdt-এ মোট ১৫০ জনেরও বেশি কর্মী রয়েছেন — প্রযুক্তি, সাপোর্ট, কন্টেন্ট ও পেমেন্ট বিভাগে।
বাংলাদেশে ক্রিকেট শুধু একটা খেলা নয়। ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারানোর রাতে বা ২০১৯-এ ভারতের বিপক্ষে কাছাকাছি ম্যাচে — পুরো দেশ একটা অনুভূতিতে ভাসে। এই অনুভূতির সাথে বেটিংকে যুক্ত করার ধারণা থেকেই jillbdt-এর জন্ম। শুধু অর্থ জেতার জায়গা নয়, বরং ম্যাচের উত্তেজনাকে আরেকটু গভীরভাবে অনুভব করার মাধ্যম।
২০১৯ সালে যখন jillbdt যাত্রা শুরু করে, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের অভাব ছিল না। কিন্তু বাংলায় সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা দেওয়া প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা ছিল নগণ্য। অধিকাংশ সাইট ইংরেজি বা হিন্দিতে চলত, পেমেন্টে ক্রেডিট কার্ড বা আন্তর্জাতিক ওয়ালেট লাগত। jillbdt সেই শূন্যতা পূরণ করতে এসেছিল।
প্রথম বড় চ্যালেঞ্জ ছিল পেমেন্ট। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থাকেন। বিশেষত গ্রামাঞ্চলে মোবাইল ব্যাংকিং আছে কিন্তু প্রচলিত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই এমন মানুষের সংখ্যা বিশাল। jillbdt সিদ্ধান্ত নিল — bKash আর Nagad যোগ করলেই হবে না, প্রিপেইড ভাউচার সিস্টেমও থাকতে হবে। এই ভাউচার সিস্টেম পরে jillbdt-এর সবচেয়ে আলোচিত বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি হয়ে ওঠে।
সাপোর্ট টিম নিয়ে jillbdt-এর দর্শনটা একটু ব্যতিক্রমী। অনেক প্ল্যাটফর্ম চ্যাটবট দিয়ে সাপোর্ট সামলায়, কিন্তু jillbdt বিশ্বাস করে মানুষের সমস্যা মানুষই সবচেয়ে ভালো বোঝেন। তাই ২৪ ঘণ্টাই রিয়েল মানুষ লাইভ চ্যাটে থাকেন — বাংলায় কথা বলতে পারেন, সমস্যার প্রেক্ষাপট বুঝতে পারেন এবং সমাধান দিতে পারেন।
প্রযুক্তির দিক থেকে jillbdt কখনো একটা জায়গায় থেমে থাকেনি। ২০২১ সালে লাইভ ক্যাসিনো যোগ হওয়ার পর অনেকে ভেবেছিলেন এটা মূল ক্রিকেট বেটিং প্ল্যাটফর্মের জন্য বেমানান হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল — অনেক প্লেয়ার ক্রিকেট মৌসুমের বাইরে লাইভ ক্যাসিনোতে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। একটাই অ্যাকাউন্টে দুটো আনন্দ পাওয়াটা তাদের কাছে সুবিধাজনক।
jillbdt-এর দায়িত্বশীল গেমিং নীতি নিয়ে একটু বলা দরকার। আমরা মনে করি একটি প্ল্যাটফর্মের দায়িত্ব শুধু ভালো গেম দেওয়া নয়, প্লেয়ারের মঙ্গলও নিশ্চিত করা। তাই jillbdt-এ স্ব-বিরতির সুবিধা আছে, জমা সীমা নির্ধারণ করা যায় এবং যাদের বেটিং অভ্যাস নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হচ্ছে তাদের জন্য সহায়তার লিংক সবসময় দৃশ্যমান থাকে। বেটিং বিনোদন হওয়া উচিত, আসক্তি নয় — এই বিশ্বাস jillbdt-এর কোড অফ কন্ডাক্টে স্পষ্টভাবে লেখা।
ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে jillbdt বেশ উচ্চাভিলাষী। হাওর অঞ্চল, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং উপকূলীয় দ্বীপ এলাকায় ভাউচার ডিলার নেটওয়ার্ক প্রসারিত করার কাজ চলছে। এছাড়া বাংলা ভয়েস সাপোর্ট, স্থানীয় কার্ড গেমের আরও বেশি বিভাগ এবং ই-স্পোর্টসে বাংলাদেশি টুর্নামেন্ট কভারেজ — এগুলো আসছে বছরের মধ্যেই আসবে বলে আশা রাখি।
jillbdt শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয় — এটা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের বিনোদনের সঙ্গী। আপনি যখন প্রথমবার নিবন্ধন করেন, তখন থেকেই আপনি এই পরিবারের অংশ হয়ে যান। আমাদের প্রতিশ্রুতি হলো — আপনার বিশ্বাস কখনো নষ্ট হতে দেব না।
এই পাতায় সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্ন আসে
বাংলায় বেটিং · দেশীয় পেমেন্ট · ২৪/৭ সাপোর্ট · ১০ লক্ষ+ প্লেয়ারের বিশ্বাস